T-shirt এর Label নিয়ে প্রয়োজনীয় ৫টি টিপস

টি কিংবা পোলো শার্ট বানানোর করার সময় “label” ব্যাপারটা হয়তো খুব কম সময়েই মনে থাকে। ডিজাইন, প্রিন্ট, ফ্যাব্রিক কোয়ালিটি, প্রোডাকশান টাইম এতকিছু সামলাতে গিয়ে শেষে দেখা যায় লেবেলিং এর খোঁজ খবরই থাকছে না। তবে আপনি যদি এই প্রোডাক্টের সর্বোচ্চ গুণগত মান এবং আকর্ষন করবার ক্ষমতা নিশ্চিত করতে চান, তবে আমরা পরামর্শ দিব যে এই “লেবেল” বা “হ্যাং-ট্যাগ” কেও গুরুত্ব দিন।

আজকে Fabrilife-এর পক্ষ থেকে আপনাদের জানাচ্ছি ৫টি খেয়াল রাখবার মত জিনিশঃ

  1. হালকা রঙের কাপড়ের উপর, গাঢ় কোন রঙ বেছে নিন। বিপরীতে একই কাজ করুন। এটা আপনার প্রোডাক্টের উপস্থাপন বা ভিজুয়াল ইম্প্যাক্ট অনেকখানি বাড়িয়ে দিবে।
  2. ছাপার অক্ষর যেনো বেশি ছোট না হয়ে যায়, লেবেলের বিস্তারিত ছোট ফন্টে গেলেও সমস্যা নেই, তবে ব্র্যান্ড এর নাম বা প্রোডাক্ট লাইনের নাম চোখে যেনো সহজে পড়ে সেটা নিশ্চিত করা গেলো।
  3. আপনার ব্রান্ডের লোগো যদি আলরেডি ডিজাইন হয়ে থাকে, একটা ব্যাপার খেয়াল রাখুন, হুবহু প্রিন্ট লেবেলে না প্রয়োজন হতেও পারে। যেমন, কালো রঙয়ের কাপড়ের উপর নীল/হলুদ লোগো না দিয়ে শুধু শাদা ভার্শনটা প্রিন্ট দিন। চোখে পড়বে আরো স্পষ্ট। তবে হ্যাং-ট্যাগে এতো খেয়াল না রাখলেও চলবে। 
  4. আরেকটা ব্যাপার, label-এ আপনার কাপড়ের গুণগত তথ্য(যেমন ফ্যাব্রিক কম্পোজিশন, রিলেভেন্ট ওয়াশ ইন্সট্রাকশন) দেয়া উচিৎ,ক্রেতাদের আস্থা বাড়িয়ে তুলবে।
  5. এবার শেষ যেটা পরামর্শ, labeling এর মাধ্যমে আপনার প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে ভালো তথ্য কিছু একটা সংক্ষেপে তুলে ধরতে পারেন। যেমন হতে পারে যে, আপনাদের উৎপাদন প্রক্রিয়া পুরোপুরি পরিবেশবান্ধব উপায়ে করা হয়। এই ছোট্ট ব্যাপারটা ক্রেতাদের মধ্যে অন্যরকমের সাড়া জাগিয়ে তুলবে।

এবার আসল কথায় আসা যাক, ফ্যাব্রিলাইফ থেকে কি সার্ভিস পাচ্ছেন “লেবেলিং” এর বিষয়ে?

পাঁচশোর উপরে যেকোন অর্ডারে আমরা সুযোগ রাখছি কাস্টম লেবেলিং এর, দুই প্রকারে।
১। Heat-Sealed labeling- “Neck Side”
২। Hang-Tag

আমাদের কাছে আপনার নেক্সট অর্ডারে, “লেবেলিং” এর ব্যাপারটা ভুলবেন না যেনো। “ব্র্যান্ডিং” এর জন্য লেবেলিং এর আর যেকোন তথ্য জানতে হলে, কোনরকন দ্বিধা না করে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।